ফ্রি ব্লগিং VS পেইড ব্লগিং

আমি এই লেখার মাধ্যমে কিছু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করব। আশা করছি এই লেখার মধ্যে আপনি অনেক কিছু জানতে পারবেন। আমি ব্লগিং করা শুরু করি ২০০৮ থেকে ২০০৯ সালের দিকে। সেই সময় ব্লগিং বিষয় আমার কোন অভিজ্ঞতা ছিল না।

এক দিন জিমেইল একাউন্টের বিভিন্ন বিষয় জানার চেষ্টা করছিলাম। হঠাৎ করে দেখি সেখানে একটি অপশন নাম ব্লগার। আমি ক্লিক করে যা যা তথ্য লাগে তা দিলাম। এর কিছু ক্ষন পরে দেখি আমার ব্লগ সাইটি ওপেন হয়েছে। কিন্তু সেই সময় ব্লগের নামের বিষয়ে আমার কোন অভিজ্ঞতা ছিল না। আমি ডোমেন নামের কথা বলছি। এই জন্য আমার প্রথম ব্লগের নামটি জটিল ছিল।

তারপর ধীরে ধীরে ব্লগিং বিষয়টি আমার কাছে পরিস্কার হতে থাকে। কিন্তু ব্লগ থেকে আয় করা যায় সেই বিষয়টি জানতাম না। ব্লগ থেকে আয় করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে জানতে পারি ২০১১ সালের দিকে। সেই থেকে ব্লগিং করা শুরু করি যা আছ পর্যন্ত চলছে।

ব্লগিং কি? এবং এর বিস্তারিত জানুন

তার পর ২০১২ সাল থেকে একজন কন্টেন্ট রাইটার হিসাবে ফ্রিল্যান্সিং করে আসছি। এর পর ওয়ার্ডপ্রেস থিম কাস্টমােইজেশন, এসইও, ডিজিটাল মার্কেটিং, ইত্যাদি বিষয় পরিপূর্ণ জ্ঞান অর্জন করা শুরু করি। কারন আমি এটা খুব ভালো ভাবে জানতাম সমায়ের সাথে সাথে নিজেকে তৈরি করতে না পারলে মার্কেট প্লেস থেকে আমি হারিয়ে যাব।

ব্লগ সাইট কি ভাবে বানাবেন তার বিস্তারিত

ফ্রি ব্লগিং

Free Blogging

আমি গুগল এ্যাডসন্স প্রথম পাই ফ্রি ব্লগ সাইটে ২০১১ সালের শেষের দিকে। কিন্তু বিশ্বাস করুন সেই ব্লগ সাইট থেকে যে ভিও পেতাম তার থেকে প্রতি মাসে ২ ডলার আয় করার মত যোগ্যতা ছিল না।

তার পর অমি সেই ওয়েবসাইটি নিয়ে আর কাজ করি নাই। আমি সেই ওয়েবসাইটে যত ধরনের কপি কাজ করা যায় করছিলাম, হয়তো সেই জন্য আয় হতো না। আর কপি কাজ করার কারন হচ্ছে, আমি ব্লগিং বিষয় তেমন কিছু জানতাম না।

আপনার যারাই ব্লগিং করতে চান না কেন। আমার রিকুয়েষ্ট ফ্রি ব্লগিং করবেন না। ফ্রি ব্লগিং শেখার কাজে ব্যবহার করতে পারেন কিন্তু সেই ব্লগ থেকে অনেক আয় করতে পারবেন সেই রকম চিন্তা না করাই ভালো।

তাবে ফ্রি ব্লগিং কাজ শেখার জন্য একটি উপযুক্ত প্লাটফর্ম।

ব্লগ সাইট থেকে আয় করার বিভিন্ন উপায়

পেইড ব্লগিং

Paid Blogging

পেইড ব্লগিং করার ক্ষেত্রে আমি তিনটি বিষয় লক্ষ রাখতে বলব ডোমেইন, হোস্টিং, থিম এই তিনটি বিষয় আপনাকে ক্রয় করতে হবে।

ডোমেইন, হোস্টিং, থিম এই তিনটির জন্য খরচ পরবে প্রায় 5000 টাকা মত। (অবশ্যই এর থেকে কম বেশি হতে পারে)

আপনি সব বিষয় ক্রয় করে করা শুরু করলে, আপনার পরিশ্রম অনুযায়ি ফলাফল পাবেন। যা ফ্রি ব্লগিং করলে পাবেন ন।

পেইড ব্লগিং করার ক্ষেত্রে আর একটি বিষয় হল Keyword Research করা। কারন প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে জানতে হবে কোন ধরনে কিওয়ার্ড নিয়ে ব্লগিং শুরু করতে হবে। আপনি যদি মনে করে যে কোন ধরনের কিওয়ার্ড নিয়ে লেখা শুরু করলে ভালো ভিজিটর পাবেন তা কিন্তু নয়।

কারন বেশি ভাগ কিওয়ার্ড বর্তমানে র‌্যাঙ্ক করা। সুতরাং আপনাকে এমন কিওয়ার্ড বাছাই করতে হবে যার প্রতিযোগিতা তুলনা মূলক ভাবে কম।

পেইড ব্লগিং করার আর একটি সুবিধা হল গুগল বা অন্য কোন সার্চ ইজ্ঞিন আপনাকে খুব তাড়াতাড়ি ইনডেক্স করবে। এবং আপনি মোবাইল থিমের সুবিধা পাবেন ভিন্ন ভাবে।

ব্লগ সাইট তৈরি করার জন্য টপিক নির্বাচন

শেষ কথা

দেখুন ভাই একটি ব্লগ তৈরি করার পর কষ্ট করে কন্টেন্ট লেখার পর যদি আয় করতে না পারেন তবে তার কোন মূল্য নেই। আপনি ফ্রি ব্লগিং করার জন্য যে কষ্টটা করবেন পেইড ব্লগিং করার জন্য সেই একই কষ্ট করতে হবে।

কিন্তু ফ্রি ব্লগিং করার ফলে আপনি উপযুক্ত পারিশ্রমিক পাবেন না। তাই আমার ব্যক্তিগত সাজেশন হচ্ছে টাকা লাগুক কিন্তু পেইড ব্লগিং করুন। একমাত্র পেই ব্লগিং করার মাধ্যমে আপনি আপনার উপযুক্ত পারিশ্রমিক পাবেন।

বি.দ্রঃ ব্লগিং বিষয়ে কোন কিছু জানার থাকলে অবশ্যই আমার সাথে যোগাযোগ করবেন। আমি আমার পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করব।

বিস্তারিত আরও পড়ুর

error: Content is protected !!