কিভাবে ব্লগিং শিখব এবং শুরু করব

কিভাবে ব্লগিং শিখব এবং শুরু করব

ব্লগিং, নিজের জানার বিষয় গুলো অন্য কারো মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া। আর একটু ক্লিয়ার করলে বিষয়টা দাঁড়াবে ব্লগিং হল একটি অনলাইন ডাইরি বা নোট। এখানে পার্থক্যটা হল ডাইরি বা নোট সবাই দেখতে পায় না। কিন্তু ব্লগিং করলে আপনার লেখা বা ডাইরিটি সবাই দেখতে পাবে।

ব্লগিং শুরু করার জন্য আপনার অবশ্যই একটি ব্লগ সাইট থাকতে হবে। ব্লগ সাইট বলতে আপনি যেখানে লিখবেন। ফ্রি ব্লগ সাইট কিভাবে তৈরি করতে হয় তা জানা না থাকলে নিচের দেওয়া লেখাটি পড়তে পারেন।

ব্লগিং একাউন্ট খোলার এবং ব্লগ সাইট তৈরির টিউটোরিয়াল

ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগিং তৈরির টিউটোরিয়াল

ব্লগিং শেখার বিভিন্ন মাধ্যম বা প্লাটফর্ম

Start Blogging

ইউটিউব ভিডিও: ইউটিউব ভিডিও ব্লগিং শেখার জন্য ভালো একটি মাধ্যম। Youtube গিয়ে কিভাবে ব্লগিং শিখব বা শুরু করব লিখে সার্চ দিলে দেখবেন হাজার হাজার ভিডিও আসবে। এবং এর মধ্যে থেকে অনেক বাংলা ভাষার ভিডিও পাবেন। প্রথম দশটি ভিডিও প্রতিটি দেখা শুরু করবেন। এর মধ্য থেকে যে ভিডিওটি আপনার কাছে সুবিধা জনক মনে হবে সেইটা সম্পূর্ণ ভাবে দেখবে। শুধু শুধু সকল ভিডিও দেখে সময় নষ্ট করার দরকার নেই। এবং যে চ্যানেলের ভিডিও টি আপনার ভালো লাগবে তা অবশ্যই সাবসক্রাইব করে রাখবেন।

পেইড কোর্স: অনলাইনে অনেক প্রতিষ্টান আছে যারা পেইড কোর্স বিক্রয় করে থাকেন ব্লগিং শেখানোর উপর। তবে আমার মনে হয় বর্তমান সময়ে ব্লগিং শেখার জন্য পেইড কোর্স আর করে না। তবে আমি বলব না যে পেইড কোর্স করার কোন দরকার নেই। আবার এটাও বলব না আপনি পেইড কোর্স ছাড়া ব্লগিং শিখতে পারবেন না। Udemy পেইড কোর্স করার জন্য ভালো একটি প্রতিষ্টান।

অনলাইন কন্টেন্ট: গুগলে সার্চ করলে হাজার হাজার লেখা পাবেন। যেখানে খুব সন্দর করে শেখানো হয়েছে কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন। প্রতিটি বিষয় ছবি সহ সুন্দর করে বুঝিয়ে দেওয়া আছে। যদিও ব্লগ তৈরি করতে ‍পারলেই আপনি সফল ব্লগার হতে পারবেন তা কিন্তু নয়। অবশ্য এই বিষয়টা ভেরি করে আপনি কোন উদ্দশ্য নিয়ে ব্লগিং শুরু করতে চাচ্ছেন। যদি ব্লগিং করে আয় করার ইচ্ছা থাকে তাহলে ব্লগিং বিষয়ে অনেক খুটিনাটি বিষয় গুলো আপনাকে জানতে হবে।

ব্লগ শেখার বই: বর্তমানে অনলাইনে ফ্রি এবং পেইড অনেক পিডিএফ বই পাবেন ব্লগ শেখার জন্য। আপনি চাইলে অনলাই বুক স্টোর থেকে ব্লগিং শেখার বই ক্রয় করে ব্লগিং শিখতে পারেন।

ব্যক্তিগত সহযোগিতা: আপনার বন্ধুদের মধ্যে কেউ ব্লগিং করে এমন কারো কাছ থেকে ব্লগিং শেখা শুরু করতে পারবেন। সরাসরি কারো কাছ থেকে ব্লগিং শিখতে পারলে সব থেকে ভালো হয়। আমরা ফ্রি ভাবে ব্লগিং শিখিয়ে থাকি আপনি চাইলে আমাদের কাছে ব্লগিং শিখতে পারেন। হ্যাঁ আপনাকে সরাসরি শেখাতে পারব না কিন্তু ফোনের মাধ্যমে সহযোগিতা করতে পারব।

ব্লগিং প্রাকটিস?

Blog practice

আপনি ইউটিউব ভিডিও, অনলাইন কন্টেন্ট, পেইড কোর্স, ব্যক্তিগত সহযোগিত সব কিছু গ্রহন করলেন কিন্তু ব্লগিং শেখা হল না। এর কারন কি! এর কারন একটাই আপনি যে ভাবেই ব্লগিং শেখা শুরু করেন। তার জন্য প্রাকটিক্যাল করাটা জরুরি। আপনি যখন ব্লগিং শিখবেন তখন অব্যশই লাইভ প্রাকটিস আপনাকে করতে হবে। লাইভ প্রাকটিস ব্যতিত আপনি কোন ভাবেই ব্লগিং শিখতে পারবেন না।

আপনি ব্লগারে অথবা ওয়ার্ডপ্রেসে একটি ফ্রি ব্লগ সাইট ওপেন করে শেখার সাথে সাথে প্রাকটিস শুরু করবেন। তাহলে দেখবেন শেখাটা সহজ হয়ে গেছে। না হলে, আজ যা শিখবেন কালকে তা ভুলে যাবেন।

ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়

কিভাবে ব্লগিং শুরু করব

Start Blogging

ব্লগিং শুরু করার জন্য অবশ্যই আপনার কাছে একটি ব্লগ সাইট থাকতে হবে। ব্লগ সাইট ব্যতিত ব্লগিং শুরু করা সম্ভব নয়। ধারলাম আপনার ব্লগারে বা ওয়ার্ডপ্রেসে একটি ফ্রি ব্লগ সাইট আছে। এখন যে যে বিষয় গুলো আপনাকে শিখতে হবে।

ব্লগ টপিক বাছাই: ব্লগিং শুরু করার সময় অব্যশই পূবের্ থেকে ব্লগ টপিক বাছাই করে রাখবেন। টপিক বলতে আপনি কোন কোন বিষয় গুলো নিয়ে ব্লগ লিখবেন সেই সকল বিষয় গুলোর কথা বলছি।

ডোমেইন এবং হোস্টিং ক্রয়: আপনার ব্লগ সাইট তৈরি করার জন্য একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং লাগবে। ডোমেইন বলতে ব্লগের নাম যেমন www.abck.com এবং হোস্টিং বলতে ডোমেইনের জায়গা। মানে ডোমেইনের তথ্য গুলো যেখানে জমা থাকবে সেটাই হোস্টিং।

ব্লগ সেটাপ: ব্লগ সাইট সেটাপ করার জন্য অন্য কারো সহযোগিতা নিতে পারেন। অথবা অন্য কারো মাধ্যমে ব্লগ সাইটি সেটাপ করে নিতে পারেন। ব্লগ সেটাপ করার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

ব্লগিং সেটিং: একটি ব্লগ সাইট তৈরি করার পর ব্লগ সেটিং শিখতে হবে। ব্লগ সেটিং বলতে ব্লগের হ্যাডিং, বর্ননা, ট্যাগ, ক্যাটাগরি, মেনু তৈরি, প্রেইভেসি পলিসি, এবাউট আস, ট্রাম এবং কন্ডিশন, ব্লগ লোগে, ব্লগ ফন্ট, ইত্যাদি বিষয় গুলো আপনাকে শিখতে হবে।

ব্লগ লেখা: আপনি আয় করার জন্য ব্লগ তৈরি করে থাকলে আপনাকে অবশ্যই ব্লগ লেখার নিয়ম গুলো জানতে হবে। উপরে ইউআরএল দেওয়া আছে শিখে নিতে পারেন।

আপনি আয় করার জন্য ব্লগিং শুরু করলে অবশ্যই আপনাকে এসইও বিষয় ধারনা থাকতে হবে। এসইও আপনাকে সহযোগিতা করবে Website Rank করার জন্য।

নোট: শুধু মাত্র ব্লগে লেখার মাধ্যমে ব্লগিং ব্যবসা শুরু করা যায় তা কিন্তু নয়। আপনি চাইলে ব্লগিং ব্যতিত অন্য ভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করে ব্লগিং শুরু করতে পারেন।

এমন অনেক উপায় আছে যার মাধ্যমে অনলাইন থেকে ওয়েবসাইট তৈরি করে আয় করা সম্ভব।

পড়ালেখা বা চাকরির পাশাপাসি ব্লগিং কিভাবে শুরু করবেন?

start your own blogging

পড়ালেখা বা চাকরির পাশাপাসি ব্লগিং করছে এমন অনেক মানুষ আছে। এবং এমন অনেক ব্যক্তি আছে যাদের এখন প্রফেশন হচ্ছে ব্লগিং। আপনি যে কোন পেশার পাশাপাসি ব্লগিং করতে পারবেন। আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি যারা কম্পিউটার কিবোর্ড টাপই করতে পারে তারা সকলে ব্লগিং করতে পারে।

আপনার কাছে লেখার মত কোন টপিক নাই। আপনি কি লিখবেন আপনার ব্লগে বুঝতে পারছেন না। তাদের উদ্দশ্য বলতে চাই এমন অনেক টপিক আছে যা শুধু টাইপিং করা জানলে ব্লগিং শুরু করা সম্ভব।

যা হোক আসল কথায় আসা যাক। ব্লগিং শুরু করার আগে বিষয়টা নিয়ে বেসিক কিছু ধারনা নিয়ে নিবেন। তারপর শুরু করতে পারেন।

যে সকল বিষয় নিয়ে লিখতে চান তার একটি লিষ্ট তৈরি করে তারপর লেখা শুরু করুন। এলোমেলো ভাবে ব্লগিং শুরু করলে, একটা সময় লেখার টপিক খুজে পাবেন। সুতরাং চেষ্টা করবেন আপনার ব্লগে দুইটি বা একটি বিষয় কভার করার।

ব্লগের লিখতে পারে সকলে কিন্তু কিছু বিষয় আছে যা আপনার জনা থাকাটা জরুরি। যেমন ব্লগের জন্য অনপেজ এসইও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদি আয়ের উদ্দশ্য নিয়ে ব্লগিং শুরু করেন তবে সেই সকল বিষয় গুলো জানা থাকতে হবে।

চেষ্টা করবেন প্রতি সপ্তাহে ১ বা ২ টি ব্লগ পোষ্ট করার। দিনের বা রাতের একটি নিদিষ্ট সময় ব্লগিং করার জন্য সময় দিবেন। চেষ্টা করুন প্রতিদিন ব্লগিং বিষয়ে নতুন কিছু শেখার।

আপনাকে অবশ্যই প্রাকটিস করতে করতে ব্লগিং শিখতে হবে। ব্লগিং শেখার পর শুরু করতে হবে এমনটা নয়। বরং এভাবে আপনি কখনো ব্লগিং শুরু করতে পারবেন না। ব্লগিং শুরু করার জন্য নিজের একটি ব্লগ সাইট তৈরি করে শেখা শুরু করা।

বিস্তারিত আরও পড়ুর