20 টি অনলাইনে আয় এর সহজ উপায়

সময় এর সাথে মানুষের আয়ের ধরন পরির্বতন হচ্ছে। বর্তমান সময়ে মানুষ অনলাইনে আয় করে চলছে হাজার হাজার টাকা।

আজ থেকে ৫০ বা ১০০ বছর আগে, আমরা অনলাইন আয় বিষয়ে চিন্তা করতে পারতাম না। কিন্তু সমযয়ের পরিবর্তন এর সাথে আজ তা সত্যি হয়ে দাঁড়িয়েছে । তবে আপনাকে অবশ্যই এই আয়ের পথের সাথে সম্পর্ক রেখে নিজেকে তৈরি করতে হবে। আপনি যত তাড়াতাড়ি নিজেকে তৈরি করতে পারবেন থিক তত তাড়াতাড়ি আপনি সমযয়ের সাথে নিজেকে মিলিয়ে নিতে পারবেন।

মানুষ এ অনলাইন থেকে দিনে দিনে আয় করে চলছে কোটি কোটি টাকা।

আজ আমি এমন 20 টি অনলাইন আয় সম্পর্কে আলোচনা করব, যা আপনাকে অনলাইনে আয় করতে চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে সহযোগিতা করবে।

Free Professional Blogging Course
Table of Contents

অনলাইনে আয় করতে চাওয়ার আগে যে বিষয় গুলো জেনে রাখা ভালো।

১. আপনি খুব জলদি অনলাইনে থেকে আয় করতে চাইলে, আমি বলব এই পথটি আপনার জন্য নয়। কারন, অনলাইনে আয় করার জন্য সময় এবং অর্থ দুইটির দরকার হয়। আপনি যদি মনে করেন যে, একটা ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ক্রয় করে ইন্টারনেট সংযোগ নেওয়ার দুই কি এক ‍দিনের মধ্যে আয় করতে পারবেন, তবে আপনার জন্য আমার ব্যাক্তিগত উপদেশ হচ্ছে , অনলাইন থেকে আয় কথাতা নিয়ে চিন্তা করাটা আপনার জন্য ঠিক হবে না।

২. আমরা অনেকে মনে করি অনলাইনে আয় করতে চাইলে একটা কম্পিউটার বা ল্যাপটপ হলেই হয়। এই বিষয় টা সটিক নয়, আপনি অনলাইন থেকে আয় করতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।

৩. ধৈর্য ধারন করাটা অনলাইন থেকে আয় করতে চাওয়ার দ্বিতীয় ধাপ। আপনার ধৈর্য ধারন করার ক্ষমতা থাকতে হবে, একমাত্র তবেই আপনি অনলাইন থেকে আয় করতে পারবেন।

৪. আমরা দুইটি বিষয় এখন প্রায় শুনে থাকি, এক হল পরিশ্রম এবং অন্যটি হল কৌশলি পরিশ্রম। এ দুইটি পরিশ্রম এর মধ্যে অনেক পার্ধক্য আছে। এখন আপনাকে চিন্তা করতে হবে আপনি কোন ধরনে পরিশ্রম করবেন।

৫. আমি বিভিন্ন ধরনের অনলাইন আয়ের সেমিনারে অংশ গ্রহণ করার সময়, প্রায় একটি সমস্যার সামনে পড়ি, আর তাহল কত দিনের মধ্যে আমার আয় শুরু হবে। আমি এই প্রশ্নের উত্তরে একটি কথাই বলব, আপনি যত তাড়াতাড়ি আপনার কাজকে ভালো বাসতে পারবেন তত তাড়াতাড়ি অনলাইন থেকে আয় করতে পারবেন।

চলুন শুরু করা যাক অনলাইনে আয় করার 20 টি উপায়

অনলাইনে আয়

আমি যে বিষয় গুলো সম্পর্কে এখন আলোচনা করব, আপনি এই বিষয় গুলোর সম্পর্কে আরও আগে থেকেই জেনে থাকতে পারেন। নিচের আলোচনা করা বিষয় গুলো থেকে আয় করতে চাইলে আপনাকে প্রথমে শিক্ষতে হবে তারপর আপনি আয় করার কথা চিন্তা করতে পারবেন, এর আগে কখনো নয়। কথায় আছে অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করি। হ্যা, অনলাইন থেকে আয় করতে হলে আপনাকে অবশ্যই এর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো সম্পর্কে সঠিক ভাবে জানতে হবে। সুতরাং চলুন আলোচনা শুরু করা যাক ।

১. ব্লগ সাইট থেকে অনলাইন আয়

আয়ের মাধ্যমঃ ব্লগিং

আয় শুরু করতে সময়ঃ ৪ হতে ৫ মাস।

সম্ভব্য আয়ঃ শুরুর দিকে, প্রতি মাসে $100 হতে $500 ডলার।

অনলাইন থেকে আয় করার জন্য ব্লগিং একটি বিশ্বাস যোগ্য এবং জনপ্রিয় মাধ্যম। যদিও ব্লগিং থেকে আয় করার জন্য সময় এবং পুজি দুইটি বিষয় বেশি লাগে। তবুও অনলাইন থেকে আয় করার জন্য ব্লগিং করা একটি ভালো সিদ্ধান্ত।

ব্লগিং করে আয় করতে চাইলে আপনাকে বেশ কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে খেয়াল রাখতে হবে। প্রথমত আপনি কোন বিষয় এর উপর ব্লগিং করতে চান তা নির্ধারন করতে হবে। ব্লগিং করার বিষয় নির্ধারণ করা হয়ে গেলে পরর্বতী ধাপ গুলো অবলম্বন করতে হবে।

ব্লগ তৈরি করার পর, আপনাকে অবশ্যই Google Adsense এ অ্যাপ্লাই করতে হবে। গোগাল আপনার ব্লগ সাইটে তাদের এড সো করাবে এবং এর মাধ্যমে আপনার আয় হবে।

ব্লগ সাইট দিয়ে শুধু যে গুগল এ্যাডসন্স এর মাধ্যমে আয় করা যায় তা কিন্তু নয়। একটি ব্লগ প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলে আপনি শত শত উপায়ে আয় করতে পারবেন।

ব্লগ লেখার নিয়ম এবং কৌশল

ব্লগিং বিষয়ে আপনার কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর

ভিডিও ব্লগিং কি ভাবে শুরু করবেন বিস্তারিত

বেশি আয় করাযায় এমন আটিকেল রাইটিং ক্যাটাগরি

২. ইউটিউব

আয়ের মাধ্যমঃ ইউটিউব

আয় শুরু সম্ভব্য সময়ঃ ৫ হতে ৬ মাস ( নির্ভর করে আপনি কোন ধরনের বিষয় নিয়ে ভিডিও তৈরি করেন এর উপর )

মিনিমাম আয় প্রতিমাসেঃ 500 ডলার হতে 1000 ডলার

বর্তমান সময় অনুযায়ি ইউটিউব হল অনলাইন থেকে আয় করার দ্বিতীয় বড় মাধ্যম। যদিও একটি ইউটিউব চ্যানেল দাঁড় করাতে গেলে প্রায় ১ হতে ২ বছর পর্যন্ত সময় লাগে যায়। অবশ্য এই সময়ের জন্য আপনি রয়েলিটি আয় করতে পারবেন।

গুগল এর পর দ্বিতীয় বড় জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন ইউটিউব এবং দিন দিন এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আপনি বিভিন্ন বিষয় এর উপর ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে আপলোড করতে পারবেন।

এবং ইউটিউবের নিয়ম নীতি অনুযায়ী একটি নিদিষ্ট সময় পর আপনার চ্যানেলে ভিডিও গুলোতে এ্যাড দেখানোর মাধ্যমে আপনাকে একটা ভালো আয় ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে পৈছে দিবে ।

ইউটিউব থেকে আয় করার জন্য আপনাকে, যা করতে হবে তা সম্পূর্ণ ভাবে জানার জন্য আমাদের এই লেখাটি পড়তে পারেন।

৩. ফেসবুক

আয়ের মাধ্যমঃ ফেসবুক

আয় শুরুর সময়ঃ ৫ হতে ৬ মাস (আপনার কাজের বিষয় এর উপর নির্ভর করে)

প্রতি মাসে সম্ভব্য আয়ঃ 100 হতে 200 ডলার

আজ থেকে কিছু দিন আগেও মানুষ ফেসবুককে একটি সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভাবত। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ফেসবুক বর্তমানে অনলাইন থেকে আয় করার একটি অন্যতম মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সর্বশেষ গণনা হিসাবে দেখাগেছে বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ৩৭৯১২০০০ জন ফেসবুক ইউজার ২০২০ সালে মার্চ পর্যন্ত। এবং বাংলাদেশের ফেসবুক ইউজারের বেশির ভাগের বয়স ১৮ বছর থেকে ২৪ বছরের মধ্যে।

এবং ইন্ডিয়ায় গণনায় পাওয়া গেছে যে ইন্ডিয়ার মোট জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ১৯১ মিলিয়াম ফেসবুক ইউজার। আপনি একটি বিষয় চিন্তা করুন তো , এত বড় একটি মাধ্যমে আপনি আপনার যে কোন ব্যবসা নিসন্দেহে শুরু করে দিতে পারবেন।

 Read of Facebook’s Partner Monetization Policies

ফেসবুকে দুই ভাবে আয় করা সম্ভব এক পণ্য বিক্রয় করার মাধ্যমে এবং অন্যটি ফেসবুক থেকে সরাসরি।

ফেসবুক থেকে আয় করতে চাইলে ফেসবুকের কিছু নিয়ম কানুন আছে যা আপনি পূরন করতে পারলে ফেসবুক এ্যাড প্রকাশের মাধ্যমে আয় করতে পারবেন।

ফেসবুক থেকে কি ভাবে আয় করবেন তার জন্য এই লেখাটা পড়তে পারেন

৪. ইন্সটাগ্রাম

আয়ের মাধ্যমঃ ইন্সটাগ্রাম

আয় শুরু করতে সময়ঃ ৮ হতে ১ বছর

সম্ভব্য আয়ঃ 500 ডলার হতে 1000 ডলার

ফেসবুকের পর অন্য একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম হল ইন্সাটাগ্রাম। যদিও বাংলাদেশে এর জনপ্রিয়তা তত বেশি নয়, কিন্তু দিন দিন এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ইন্সাটাগ্রাম থেকে আয় করার জন্য, ইন্সাটাগ্রাম ফলোয়ার থাকাটা জরুরি। আপনার ফলোয়ার ১০,০০০ হাজার এর উপর হলে, বিভিন্ন নামী দামী কম্পানি তাদের পণ্যের প্রচারের জন্য আপনার সাথে কন্ট্রাক করবে।

InfluencermarketingHub এই কম্পানিটি পপুলার ইন্সাটাগ্রাম প্রফাইল ওনাদের কাজ দিয়ে থাকে।

মিনিমাম ইন্সটাগ্রাম ফলোয়ার থাকা ব্যাক্তি প্রতিবছর ৫ হতে ৬ হাজার ডলার অনলাইন থেকে আয় করে থাকে।

ইন্সাটাগ্রাম থেকে কি ভাবে আয় করবেন তার সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য, নিচে লেখাটি পড়ে দেখতে পারেন। ইন্সটাগ্রাম থেকে কিভাবে আয় করবেন এবং কিভাবে আপনার ইন্সাগ্রাম প্রফাইলকে জনপ্রিয় করে তুলবেন তা নিয়ে এখানে আলোচনা করা হয়েছে ।

৫. কন্টেন্ট রাইটিং করে অনলাইন আয়

আয়ের মাধ্যমঃ কন্টেন্ট রাইটার

আয় শুরুর সময়ঃ ১ হতে ২ মাস।

প্রতি মাসে সম্ভব্য আয়ঃ 500 হতে 1000 ডলার।

ফ্রিল্যান্সিং পেশার মধ্যে সব থেকে জনপ্রিয় একটি পেশা কন্টেন্ট রাইটিং। একজন কন্টেন্ট রাইটার প্রতি মাসে অনলাইন থেকে ৫০০ হতে ১০০০ ডলার আয় করতে পারে। অন্য সব ফ্রিল্যান্সারের কাজের অভাব হয় কিন্তু কন্টেন্ট রাইটারের কাজের অভাব হয় না।

content writing income

বর্তমান সময়ে খুবেই পপুলার একটি কাজ ওয়েবসাইট কন্টেন্ট রাইটিং। এবং একজন কন্টেন্ট রাইটারের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েই চলছে।

আপনার পছন্দ মত যে কোনো বিষয় এর উপর লেখালেখি করতে পারেন। শুধু একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, সেটি হল যে বিষয়টি নিয়ে আপনি লেখালেখি করবেন সেই বিষয়টি সম্পর্কে আপনার যেন ভালো ধরনা থাকে।

একজন ভালো কন্টেন্ট রাইটার প্রতি মাসে $1000 থেকে $2000 ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারে। আপনিও চাইলে প্রতি মাসে $1000 থেকে $2000 ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।

বাংলায় কন্টেন্ট রাইটিং করে ভালো টাকা আয়ের কোন সুযোগ এখনো তৈরি হয়নি । তবে আগামীতে যে হবে না, তেমনটা কিন্তু নয়।

কন্টেন্ট রাইটিং ওয়েবসাইট বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য নিচের লেখাটা পড়ুন। কি ভাবে কন্টেন্ট রাইটার হতে পারবেন এবং কন্টেন্ট রাইটিং ওয়েবসাইট লিস্ট।

৬. ভাষা Transcriber

আয়ের মাধ্যমঃ ভাষা ট্রান্সলেটর

আয় শুরুর সময়ঃ ১ মাস

প্রতি মাসে সম্ভব্য আয়ঃ 200 হতে 400 ডলার।

একজন ভাষা ট্রান্সলেটর অনলাইন এবং অফলাইন দুই দিক থেকে আয় করতে পারে।

ভাষা ট্রান্সলেট করে আয় করার জন্য আপনাকে অবশ্যই বিভিন্ন ভাষা জানতে হবে। আপনার যদি দুই হতে তিনটি ভাষা জানা থাকে তবে অবশ্যই তা কাজে লাগিয়ে অনলাইন থেকে আয় করতে পারবেন।

আপনার ইচ্ছা থাকলে দুই হতে তিনটি ভাষা শিখে নিতে পারেন এবং ভাষা ট্রান্সলেটর হিসেবে আয় করা শুরু করে দিতে পারবেন।

একজন ভাষা ট্রান্সলেটার প্রতি মাসে $500 হতে $700 ডলার আয় করার মত সমার্থ রাখে। তাছাড়া দিন দিন ভাষা ট্রান্সলেটার এর চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েই চলছে।

৭. সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট ম্যানেজমেন্ট

আয়ের মাধ্যমঃ সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার

আয় শুরুর সময়ঃ ৫ হতে ৭ মাস।

প্রতি মাসের সম্ভব্য আয়ঃ 300 ডলার হতে 500 ডলার। ( এটা নির্ভর করে আপনি কত গুলো সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট ম্যানেজমেন্ট করেন তার উপর )

আয়ের জন্য প্রয়োজনীয় উপায়ঃ সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি।

একটি এজেন্সির মাধ্যমে মোস্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হয়ে অনলাইন থেকে খুব সহজেই টাকা আয় করা সম্ভব। কিন্তু নিজের এজেন্সি তৈরি করে কাজ পাওয়াটা প্রথম দিকে সমস্যার হবে।

অনেক মিডিয়া রিলেটেড এবং পলিটিক্যাল ব্যাক্তি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্রফাইল ম্যানেজমেন্ট করার সময় পায় না। সেই ব্যাক্তিদের সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট ম্যানেজমেন্ট করার জন্য তৃতীয় ব্যাক্তির দরকার হয়।

অন্যের সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ পাওয়ার জন্য, আপনার একটি পোর্টফলিও ওয়েবসাইট থাকা দরকার।

আপনি কি ধরনের সেবা দিয়ে থাকেন কত টাকা নেন, সব ধরনের বর্ননা পোর্টফলিও ওয়েবসাইট এ উল্লেখ থাকবে। পোর্টফলিও ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য আমাদের সাথে contact করতে পারেন।

৮. পরামর্শ দাতা হয়ে আয় করার উপায়

আয়ের মাধ্যমঃ পরামর্শ দাতা

আয় ‍শুরুর সময়ঃ ৫ হতে ৬ মাস

প্রতিমাসে সম্ভব্য আয়ঃ 700 হতে 1000 ডলার।

প্রয়োজনীয় উপকরণঃ যে বিষয় পরামর্শ দিবেন তার উপর একটি অনলাইন এজেন্সি।

যদিও এর চাহিদা আগে ছিল না কিন্তু বর্তমানে এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে অনলাইন থেকে আয় করার সম্ভবনা বেড়ে যাচ্ছে এই খাতে।

আপনি একজন ভালো ফ্রিল্যান্সার এবং আপনি অনলাইন থেকে ভালো আয় করেন। এখন আপনি একটি এজেন্সি ওপেন করলেন, যার মাধ্যমে আপনি অনলাইনে আয় বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকেন এবং তার বিনিময়ে আপনি কিছু টাকা নিয়ে থাকেন।

আবার অন্য আর একটি উদাহরণ দেওয়া যাক, ধরুন আপনি একজন ভালো ফিটনেস ট্রেইনার, আপনি জানেন কি ভাবে নিজের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে হবে।

আপনি একটি এজেন্সি ওপেন করলেন যার মাধ্যমে আপনি অন্যকে ফিটনেস বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকেন এবং এর বিনিময়ে কিছু টাকা চার্জ করতে পারেন।

তবে উপরে প্রতিটি কাজের জন্য আপনাকে অবশ্যই একটি অনলাইন এজেন্সি ওপেন করতে হবে।

৯. অনলাইনে কোর্স বিক্রয়

আয়ের মাধ্যমঃ অনলাইন কোর্স

আয় শুরুর সময়ঃ ২ হতে ৩ মাস

প্রতি মাসে সম্ভব্য আয়ঃ 300 হতে 400 ডলার

মিনিমান ইনভেস্টমেন্টঃ 100 হতে 300 ডলার ( সোশ্যাল মিডিয়া এড প্রকাশের জন্য খরচ হবে)

একটি ভালো মানের কোর্স অনলাইন থেকে লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের পথ তৈরি করে দেয়। অনলাইনে কোর্স বিক্রয় করতে চাইলে অবশ্যই কোয়ালিটির দিকে নজর দিতে হবে।

আপনি ভালো লিখতে পারেন এবং আপনি জানেন কিভাবে লিখতে হয়। সুতরাং আপনার এই দক্ষতার উপর নির্ভর করে একটি কোর্স তৈরি করতে পারেন।

Online course selling

কোর্স তৈরি করা শেষ হলে, ফেসবুক বা অন্য কোন সোশ্যাল মিডিয়ায়, ডিজিটাল এড এর মাধ্যমে কোর্স সেল করতে পারেন।

আপনি একটি বিষয় চিন্তা করুন, যে বিষয়টা আপনি ভালো করে জানেন সেই বিষয় টা অন্য কেউ জানে না সুতরাং এটা কিন্তু আপনার সুযোগ অনলাইন থেকে টাকা আয় করার।

আপনি যে কোন বিষয় এর উপর কোর্স তৈরি করতে চাইলে আমারা আপনাকে কোর্স তৈরি করার জন্য সহযোগিতা করব। যে কোনো প্রয়োজনে আমাদের সাথে নিসন্দেহে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।

১০. পোর্টফলিও তৈরি

আয়ের মাধ্যমঃ নিজের অভিজ্ঞতা

আয়ের জন্য সময়ঃ আপনার উপর নির্ভর করবে।

মিনিমাম আয়ঃ কাজ পাওয়ার উপর নির্ভর করে।

আপনার যে কোন কাজের উপর ভালো অভিজ্ঞতা থাকলে তার উপর নির্ভর করে একটি অনলাইন পোর্টফলিও তৈরি করতে পারেন, যা আপনাকে কাজ পেতে সহযোগিতা করবে।

আপনি ভালো মানের একজন ভেজিটেবেল আর্ট মেকার, এখন আমার অনুষ্টানের জন্য একজন আর্ট মেকার দরকার।

আমি গুগল এ সার্চ করার পর আপনার পোর্টফলিও ওয়েবসাইটটি পেলে আপনার সাথে যোগাযোগ করে, কন্ট্রাক করতে পারব এবং আপনি একজন কাস্টমার পাবেন।

অথবা আমার একটি অনলাইন এজেন্সি আছে যেখানে আমার একজন ডিজিটাল মাকের্টার দারকার। আপনার একটি পোর্টফলিও থাকলে খুব সহজে আপনাকে খুঁজে পাওয়া যাবে এবং কাজের জন্য যোগাযোগ করা যাবে।

১১. ইউনিক অথবা আনকমন পণ্য বিক্রয় করে অনলাইন ইনকাম

আয়ের মাধ্যমঃ সোশ্যাল মিডিয়া পণ্যের এড প্রকাশের মাধ্যমে আয়।

ইনভেস্টমেন্টঃ পণ্য ক্রয় এবং সোশ্যাল মিডিয়া এড প্রকাশের জন্য।

ফেসবুক বা অন্য কোন সোশ্যাল মিডিয়া যে সব পণ্য বিক্রয় করা হয়, তা সাধারনত আসে পাশে পাওয়া যায় না। এই জন্য সেই সকল পণ্যের ‍উপর সকলের এক ধরনের আগ্রহ দেখা যায় এবং অনলাইনে বিক্রয় ভালো হয়।

আপনি অনলাইনে পণ্য বিক্রয় করতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে ইউনিক পণ্য নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে। কারন ইউনিক পণ্যের বিক্রয় ভালো হয় এবং ইনভেস্টমেন্ট করার পর ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা কম থাকে।

আপনার এলাকায় কোন ভিন্য ধরনের পন্য থাকলে তা আপনি অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রয় করতে পারবেন। তবে হ্যা অনলাইনে কোন পন্য বিক্রয় করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই ডিজিটাল এ্যাড দিতে হবে।

ডিজিটাল এ্যাড না দিয়ে আয় করা সম্ভব হবে না। যদিও বিভিন্ন group এ পণ্যের ছবির এ্যাড দিয়ে কিছু পণ্য বিক্রয় করতে পারবেন, তাবে তা অনেক বেশি হবে না।

আমরা খুব কম টাকার মাধ্যমে ভালো মানের ডিজিটাল এ্যাড দেওয়ার ব্যবস্থা করে থাকি, আপনি চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

১২. কাস্টমার বা ক্লাইন্ট রেফার

আয়ের মাধ্যমঃ ব্লগিং

আয় শুরু করতে সময়ঃ ৫ হতে ৬ মাস

ইনভেস্টমেন্টঃ মিনিমাম 1000 ডলার

কাস্টমার বা ক্লাইন্ট রেফার করে অনলাইন থেকে আয় করা বর্তমান সময়ের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। যদিও বাস্তব জগতে এই বিষয়টা ভিন্ন ভাবে দেখে তবুও মানুষ অনলাইনে এটা করছে।

এটাও এক ধরনের অ্যাফলেট মাকের্টিং বলতে পারেন। আমার একটা ডিজিটাল মাকের্টিং এজেন্সি আছে। এবার আপনি আমার এজেন্সিতে একজন কাস্টমার রেফার করলে এর জন্য আমি আপনাকে কিছু টাকা পে করব।

এই বিষয়টি দুই ভাবে হতে পারে প্রথমত সরাসরি রেফার করার মাধ্যমে দ্বিতীয় ওয়েবসাইট তৈরি করে লিড জেনারেট করে রেফার করার মাধ্যমে। তবে আপনি যে ভাবেই করুন না কেন, উদ্দেশ্য কিন্তু একটাই তাহল কিছু টাকা আয় করা।

এবার একটা উদাহরন দেওয়া যাক, ধরুন আমি একজন লইয়ার। এবার আপনার একটি ওয়েবসাইট আছে যেখানে আইন বিষয় বিভিন্ন লেখা আচ্ছে এবং বিভিন্ন আইনজীবিদের জন্য যোগাযোগ করার মাধ্যম আছে।

ধরুন কোন একজন ব্যাক্তি আপনার ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে একজন আইনজীবির সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করল অথবা যোগাযোগ করল। এই যে আপনার ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে ঐ আইনজীবি একজন ক্লাইন্ট পেলো এর জন্য আইনজীবি আপনাকে একটি নিদিষ্ট পরিমান অর্থ আপনাকে পে করবে।

আপনি এই ধরনের ওয়েবসাইট তৈরি করতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

১৩. ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইন থেকে আয় করুন

আয়ের মাধ্যমঃ ফ্রিল্যান্সিং রিলেটেড যে কোন কাজ।

আয় শুরু সময়ঃ আপনার কাজ জানা থাকলে খুব কম সময় এর মধ্যে শুরু করতে পারবেন। কাজ না জানলে, কাজ শেখার পর ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মে চেষ্ট করতে হবে। তার পর ও 5 হতে 6 মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

প্রতিমাসে আয়ঃ আপনার কাজের উপর নির্ভর করবে।

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার পরের দিন থেকে হয়তো আয় করতে পারবেন না। কিন্তু লেগে থাকলে এই ফ্রিল্যান্সিং পেশার মাধ্যমে অনলাইন থেকে হাজার হাজার ডলার আয়ের সুযোগ তৈরি করে দেয়।

Freelancing online earning

এবং অনলাইনে আয় করার কথা উঠলে সর্বপ্রথম ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টা উপরে আসে।

আমার মনে হয় খুব কম সংখ্যক ব্যাক্তি আছে যারা বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে জানে না। এবং আমার মনে হয়, অনেক সংখ্যক মানুষ এই পেশার টার সাথে জড়িত হওয়ার কিছু দিনের মধ্যে ছেড়ে দিয়েছে।

অথবা অনেক দিন সময় দিয়ে, আজ পর্যন্ত আয় করতে পারেনি এমন লোকের সংখ্যাই বেশি হবে। ফ্রিল্যান্সিং মুক্ত পেশা, অনলাইন জগৎ এ হাজার ধরনের কাজ আছে যা করার মধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন।

কিন্তু আপনি যদি নিজেকে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসাবে দেখতে চান তবে যে কোন একটি ভালো বিষয় এর উপর দক্ষতা অর্জন করার পরে এই ফ্রিল্যান্সিং জগৎ এ আসতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং করে শুধু মাত্র তখনোই সফলতা অর্জন করা সম্ভব যখন আপনি তা ভালো ভাবে করতে চাইবেন অথবা মন থেকে চাইবেন। কারন ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে চাইলে অনেক বেশি ধৈর্য ধারন করতে হবে।

১৪. ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ রিভিও করে অনলাইন ইনকাম

আয়ের মাধ্যমঃ মাইক্রো ওয়ার্ক

আয় শুরু সময়ঃ ৭ হতে ৮ দিন।

প্রতিমাসে মিনিমাম আয়ঃ 20 হতে 30 ডলার।

অনলাইন থেকে আয় করা যায় কিছু মাইক্রো ওয়ার্ক করে। ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ রিভিউ সেই সকল মাইক্রো ওয়ার্ক কাজের মধ্যে পরে।

internet income

আমি একটি নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করাল কিন্তু আমি বুঝতে পারছি না ওয়েবসাইটটি গঠন ঠিক আছে কি না।

এর জন্য আমি একটা এজেন্সির মাধ্যমে আমার ওয়েবসাইটির গঠন নিয়ে একটি  survey করালাম এর ফলে আমি যে মতামত পেলাম তা আমার ওয়েবসাইট এর জন্য খুবেই গুরুত্বপূর্ণ।

নিচে কত গুলো এজেন্সি নাম উল্লেখ করলাম যা, ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ রিভিও করার জন্য আপনাকে পে করবে। আপনি চাইলে শুরু করতে পারেন যদিও অনেক বেশি আয় করা সম্ভব নয়।

Ubertesters

UserTesting

Testbirds

Userlytics

TryMyUI

Userfeel

১৫. পডকাস্ট এর মাধ্যমে অনলাইন আয় করা

আয়ের মাধ্যমঃ পডকাস্ট

আয় শুরু সময়ঃ নিদিষ্ট কোন সময় নেই।

প্রতি মাসে মিনিমাম আয়ঃ পডকাস্ট আয় সঠিক ভাবে বা অনুমান করে বলা সম্ভব নয়। তবুও প্রতিমাসে 100 থেকে 80 ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

অনলাইন থেকে আয় করার ভিন্ন একটি মাধ্যম পডকাস্ট। পডকাস্টের বিষয়টা কিছুটা ইউটিউব থেকে আয় করার মত।

আপনি কথা বলতে ভালো বাসেন এবং খুব সুন্দর করে যে কোন বিষয় উপস্থাপণ করতে পারেন। তাহলে পড কাস্ট আপনার জন্য একটি ভালো মাধ্যম আয় করার জন্য।

বিষয়টা আর একটু ক্লিয়ার করা যাক, ধরুন আপনি একটি সিরিজ তৈরি করলেন ভালোবাসার উপর এবং সেই সিরিজ গুলো একটি পডকাস্ট মিড়িয়ার মাধ্যমে প্রকাশ করলেন।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপনি কি ভাবে টাকা আয় করতে পারবেন। আপনি যখন পডকাস্ট মিড়িয়া আপনার সিরিজ প্রকাশ করবেন তখন মানুষ তা দেখবে এবং ডাউনলোড করবেন এর ফলে আপনি টাকা পাবেন। যত বেশি মানুষ আপনার পডকাস্ট দেখবে তত বেশি আয় করতে পারবেন।

  • ইউনিক কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে।
  • অবশ্যই আনন্দদায়ক গল্প

Spotify (বাংলাদেশে সাপোর্ট করে না)

Google Podcast

১৬. ছবি বিক্রয় করে অনলাইনে আয়

আয়ের মাধ্যমঃ ছবি বিক্রয়

আয়ের সময়ঃ কাজ জানা থাকলে ১ হতে ২ সপ্তাহ

প্রতি মাসে আয়ঃ 100 থেকে 300 ডলার অথবা এর থেকেও বেশি হতে পারে।

আপনাদের মধ্যে অনেকেই ভালো ছবি তুলতে পারেন অথবা আপনি একজন ভালো ফটোগ্রাফার। একজন ভালো ফটোগ্রাফার প্রতি মাসে খুব সহজে 500 হতে 1000 ডলার আয় করতে পারবেন।

তবে ছবি তুলে আয় করার জন্য যে সব ওয়েবসাইট সুযোগ করে দেয় তাদের কিছু নিয়ম-নীতি আছে তা আপনাকে পালন করতে হবে।

ছবি ‍তুলে আয় করার ক্ষেত্রে একটি বিশেষ সুবিধা হল একই ছবি আপনি বার বার বিক্রয় করতে পারবেন।

নিচের কিছু ওয়েবসাইট এর লিস্ট দিচ্ছি যা ছবি বিক্রয় করার মাধ্যমে আয়ের সুযোগ করে দিয়ে থাকে।

500px Prime

SmugMug Pro

Shutterstock

iStockphoto

Etsy

১৭. Transcribing অনলাইনে আয়

আয়ের মাধ্যমঃ Transcribing 

আয় শুরুঃ কাজ জানা থাকলে ১ হতে ২ মাস।

প্রতিমাসে আয়ঃ 300 হতে 400 ডলার

আপনি খুব দ্রত লিখতে পারেন, এই দক্ষতাটাকে কাজে লাগিয়ে আপনি আয় করতে পারবেন।

Transcribing কোন ধরনের কাজ? আপনাকে একটি ইংরেজি অডিও ফাইল দেওয়া হল, তা আপনাকে এখন শুনে শুনে লিখতে হবে। এই লেখার মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন।

সাধারণত এই লেখা জন্য ঘন্টা ধরা পেমেন্ট দেওয়া হয়। তবে মাঝে মাঝে কন্ট্রাক করে Transcribing কাজ করে দেওয়া হয়।

আপনি একজন ভালো Transcribing হতে পারলে প্রতি মাসে $300 হতে $700 ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। এবং ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট গুলোতে অনেক Transcribing এর কাজ পাওয়া যায়।

১৮. ইন্টারনেট রিসার্স এবং সার্ভে কাজ

আয়ের মাধ্যমঃ ইন্টারনেট রিসার্স এবং সার্ভে

আয় শুরু করতে সময় লাগবেঃ ১ হতে ২ মাস।

প্রতি মাসে আয়ঃ 20 হতে 25 ডলার।

রিসার্স কাজ করে অনেকেই প্রতি মাসে অনলাইন থেকে ভালো টাকা আয় করে। যদিও আমাদের দেশের ক্ষেত্রে সেটা সম্ভব নয়।

আপনি আপনার হাত খরচের জন্য কিছু টাকা আয় করতে চাইলে ইন্টারনেট রিসার্স একটি ভালো কাজ।

Qmee একটি সার্চ করে আয় করার জন্য এক্সটেনশন। Qmee এক্সটেনশনটি আপনার ব্রাউজারে এড করুন এবং সার্চ করে টাকা আয় করুন। তবে আপনি বাংলাদেশে বা ভারত থেকে আয় করতে পারবেন না।

এই এক্সটেনশনের মাধ্যমে আয় করতে চাইলে আপনাকে ইউকে অথবা ইউএস এর বাসিন্ধা হতে হবে।

আপনারা অনেকেই সার্ভে করে টাকা আয়ের কথা শুনে থাকবেন। যদিও সার্ভে করে টাকা আয়ের বিষয়টা আমার কাছে ভিত্তি হীন মনে হয়। তবুও আপনি চাইলে সার্ভে করে কিছু টাকা প্রতি মাসে আয় করতে পারবেন।

সার্ভে করার ওয়েবসাইট এর লিস্ট

SurveyBods

Pinecone Research

i-Say

Pro Opinion

১৯. Appen থেকে টাকা আয়

আয়ের মাধ্যমঃ Appen

আয় করতে সময়ঃ ১ হতে ২ মাস।

প্রতিমাসে আয়ঃ 80 হতে 100 ডলার (আপনাকে অবশ্যই ইউএস এর বাসিন্দা হতে হবে।)

মোবাইল ফোন দিয়ে অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে চাইলে অ্যাপেন একটি ভালো মাধ্যম হবে। আপনি অ্যাপেন অ্যাপ ডাউনলোড দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করতে পারেন।

Appen থেকে চার ভাবে আপনি আয় করতে পারবেন। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ক্যাটাগরি করে আয় করতে পারবেন।

সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ক্যাটাগরি করা মানে, বিভিন্ন ধরনের পোস্ট পড়ে আপনাকে বলতে হবে পোস্টটি কোন ধরনের অনুভূতি প্রকাশ করে এবং পোস্টটি কি বিষয় প্রকাশ করে।

দ্বিতীয়, আপনাকে একটি ছবি দেওয়া হবে এবং আপনাকে বলতে হবে যে, ছবিটি কি প্রকাশ করছে অথবা ছবিটি দাঁড়া কি বুঝানো হয়েছে।

তৃতীয়, আপনাকে বিভিন্ন ধরনের অডিও ফাইল শুনে শুনে লিখতে হবে। তবে Appen এর অডিও ফাইল গুলো খুব বড় হয় না।

চতুর্থ, এই ক্ষেত্রে আপনাকে একটি ইমেজ টুল দেওয়া হবে এবং সেই টুলের মাধ্যমে ইমেজ এর বিষয় বস্তু ঠিক করতে হবে।

২০. কোম্পানি বা এজেন্সির নাম বিক্রয় করে টাকা আয়

আয়ের মাধ্যমঃ নাম তৈরি।

আয়ের সময়ঃ নিদিষ্ঠ করে বলা সম্ভব নয়।

প্রতি মাসে আয়ঃ সঠিক ভাবে বলা সম্ভব নয়।

অনলাইনে অনেক প্রতিষ্টান আছে যারা এই সুযোগটি দিয়ে থাকে। আপনি একজন ছাত্র হলে এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে অনলাইন থেকে আয় করার চেষ্টা করতে পারেন।

ধরুন, আপনি একটি নতুন কম্পানি বা এজেন্সি তৈরি করতে চাচ্ছেন এবং এর জন্য কম্পানি বা এজেন্সির নাম খুজছেন।

এবং এই ক্ষেত্রে একজন আপনার নাম নির্বাচন করার জন্য একজন আপনাকে সহযোগিতা করল এবং এর বিনিময় আপনি কিছু টাকা ব্যয় করবেন।

এখন আপনি নাম সাজেস্ট করে টাকা আয় করতে চাচ্ছেন, সেই ক্ষেত্রে আপনি Squadhelp এ একটি একাউন্ট তৈরি করে বিভিন্ন কম্পানি বা এজেন্সির নাম সাজেস্ট করতে পারেন।

আপনি যে নাম গুলো সাজেস্ট করবেন তার থেকে কেউ একজন আপনার একটি নাম ক্রয় করতে চাইলে $10 হতে $15 ডলার আয় করতে পারবেন।

নাম তৈরি করার জন্য আপনাকে অবশ্যই একজন ক্রিয়েটিভ ব্যাক্তি হতে হবে। কারন আপনার নাম বিক্রয় হওয়া নির্ভর করবে আপনি কোন ধরনের নাম সাজেস্ট করবেন।

২১. ডাটা এন্ট্রি জব ইন্টারনেট ইনকাম

আয়ের মাধ্যমঃ ফ্রিল্যান্সিং

আয় শুরু করতে সময়ঃ ৩ হতে ৪ মাস ( আপনাকে ভালো কাজ জানতে হবে।)

প্রতিমাসে মিনিমাম আয়ঃ 150 হতে 300 ডলার

ডাটা এন্ট্রি একটি ফ্রিল্যান্সিং কাজ, প্রথম দিকে প্রতিটি ফ্রিল্যান্সার অনলাইন থেকে আয় করার জন্য ডাটা এন্ট্রি কাজ করে থাকে। যদি ডাটা এন্ট্রি তবুও কাজটা কিন্তু তত সহজ নয়।

সাধারনত বড় প্রতিষ্টান গুলোতে এই ধরনের কাজ পাওয়া যায়। এবং আপনি বলতে পারেন কেন এই প্রতিষ্টান গুলো ফ্রিল্যান্সার দিয়ে ডাটা এন্ট্রি কাজ করায়।

এর একটি কারন আছে, ডাটা এন্ট্রি কাজ গুলো খুবেই সহজ হয়ে থাকে। আর এই সহজ কাজ গুলো কারার জন্য তারা ফ্রিল্যান্সার হায়ার করে থাকে।

ডাটা এন্ট্রি কাজের লিষ্ট

  • Word Processor Jobs
  • Data Cleaning Jobs
  • Online Form Filling Work
  • Copy & Paste Work
  • Image to Text Writing Jobs
  • Audio to Text Writing Jobs
  • Medical Transcriptionist Writing Jobs
  • Medical Coding Jobs
  • Database Update Work
  • Catalog Data Entry Jobs

ইনকাম করার জন্য মোবাইল অ্যাপ

২২. ক্লিক ওয়ার্কার জব

আয়ের মাধ্যমঃ ক্লিক ওয়ার্কার ওয়েব সাইট

প্রতি মাসে আয়ঃ 30 থেকে 40 ডলার।

কোন ধরনের অভিজ্ঞতা ছারা আমরা অনেকেই ছোট ছোট কাজ জানি। যেমন প্রডাক্ট এর বিস্তারিত লেখা, পাওয়ার পয়েন্ট কন্টেন্ট ডিজাইন, ভয়েস রেকোডিং, সার্ভে জব, Photo Capturing, অ্যাপ টেস্টিং, ইত্যাদি।

ক্লিক ওয়ার্কার একটি ওয়েবসাইট যেখানে উপরে উল্লেখ্য করা বিষয় গুলোর উপর কাজ পাওয়া যায়। আপনি নতুন সদস্য হিসাবে খুব তাড়াতাড়ি কাজ পেতে সমস্যা হবে। কিন্তু ট্রাই করতে করতে একটা সময় ভালো কাজ পাবেন।

ক্লিক ওয়ার্কার ওয়েবসাইট থেকে আয় করতে চাওয়ার জন্য ধৈর্য ধারন করাটা জরুরি।

বিস্তারি: Microworkers

বিস্তারি: Clickworker ( এই ওয়েবসাইটি বাংলাদেশের ওয়ার্কার সাপোর্ট করে না )

২৩. আর্ট এবং ডিজাইন বিক্রয় করে আয় করুন

বর্তমানে আর্ট এবং ডিজাইন বিক্রয় করে অনলাইন থেকে আয় করাটা একটি জনপ্রিয় বিষয়। এবং ফ্রিল্যান্সিং ট্রেডিং পেশা গুলোর মধ্যে আর্ট এবং ডিজাইন অন্যতম।

আপনার যদি ভালো ডিজাইন দক্ষতা থাকে তবে নিজের ডিজাইন বিক্রয় করে আয় করতে পারেন। যেমন Society6 একটি ভালো ওয়েবসাইট যেখানে আপনি আপনার ডিজাইন দক্ষতা বিক্রয় করতে পারবেন।

ফোন কেস, টি-শার্ট, টেপস্ট্রি, ইত্যাদির ডিজাই আপনি করতে পারবেন। সোসাইটি৬ এর মাধ্যমে কোন পণ্য বিক্রয় করতে চাইলে অর্থ লাগবে না। আপনি ফ্রি আপনার পণ্য বিক্রয় করতে পারবেন।

আপনাকে যা করতে হবে তা হল নিজের ডিজাইন করা পণ্য গুলো আপলোড করতে হবে ঐ ওয়েবসাইটে। তারপর কেউ আপনার ডিজাইন পছন্দ করলে আপনি বিক্রয় করবেন।

ছাত্র হয়ে অনলাইন থেকে আয় করার উপায়

ফ্রিল্যান্সিং কাজ শেখার উপায়

ফ্রিল্যান্সিং করে এমন কারো কাজ থেকে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারলে ভালো হয়। কারন একজন ফ্রিল্যান্সার যে ভাবে প্রতিটি কাজ হাতে ধরে ধরে শিখাতে পারবে অন্য কেউ তা শিখাতে পারবে না।

আমার ব্যাক্তিগত সাজেশন হল ফ্রিল্যান্সারের কাছে থেকে কাজ শেখাটা সব থেকে ভালো হবে।

আপনি কোন ফ্রিল্যান্সারকে জানেন না এমন অবস্থায় অনলাইন থেকে কোর্স করে কাজ শিখতে পারেন। সে ক্ষেত্রে Udemy হবে কাজ শেখার জন্য ভালো প্লাটফর্ম।

ফ্রি এবং পেইড ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স

শেষ কথা

আমি জানি না, আপনি লেখাটি সম্পূর্ন ভাবে পড়ছেন কি না। তবে একটা বিষয় বলতে চাই, তাহল আপনি অনলাইন থেকে শুধু যে, এই ২০ ভাবেই আয় করতে পারবেন তা কিন্তু নয়।

অনলাইন থেকে হাজার হাজার উপায়ে আয় করা যায়। এবং আপনি চাইলে অনলাইনে থেকে আয় করার জন্য নতুন পথ তৈরি করতে পারেন।

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি। দেখুন আপনার একটু সহযোগিতা আমাদের আরও বেশি লেখার জন্য অনুপ্ররণা তৈরি করে।

মাইবিডিব্লগ এ আপনাকে স্বাগতম।

বায়োডাটা তৈরি করে অনলাইন থেকে আয় করুন

অনলাইন থেকে আয় করার আগে এই লেখাটা পড়া উচিত

অনলাইন আয় বিষয়ক উপরের লেখাটি কেন পড়বেন তার বিস্তারিত নিচে ভিডিও মধ্যে পাবেন

বিস্তারিত আরও পড়ুর

error: Content is protected !!