অনলাইনে আয় ২০২১: অনলাইন থেকে ইনকাম করার ফ্রিল্যান্সিং কাজ

অনলাইন থেকে ইনকাম

আপনি অনলাইন থেকে আয় করার কথা চিন্তা করে থাকলে এই লেখাটি আপনার জন্য। এই লেখার মধ্যে আপনি এমন কিছু শিখতে পারবেন যা আপনি জানেন। এবং এই জানা বিষয় গুলো দিয়ে কি ভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় সেই বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

২০টি ফ্রিল্যান্সিং কাজ যা আপনি জানেন। হয়তো কিছু কিছু কাজ আছে যা আপনি জানেন না। কিন্তু সেই কাজ গুলো তত বেশি কঠিন নয়। আশা করছি এই লেখাটি পড়া শেষ হওয়ার সাথে একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তবে এটা মনে করার কোন কারন নেই যে, এই লেখাটি পড়া শেষ হওয়ার সাথে সাথে আপনি আয় করা শুরু করে দিতে পারবেন। অনলাইন থেকে আয় করতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে সততার সহিত পরিশ্রম করতে হবে।

সঠিক গাইড লাইন মেনে অনলাইনে কাজ শুরু করলে অবশ্যই আয় করতে পারবেন।

অনলাইন মাইক্রোওয়ার্ক

সোস্যাল মিডিয়া মাকের্টিং

সোস্যাল মিডিয়া মাকের্টিং একটি বিস্তারিত বিষয়। তবে আজকে সেই সকল বিষয় নিয়ে কথা বলব যেসব কাজে মূল্য মাকের্ট প্লেসে আছে। অবশ্যই এই সকল কাজের মধ্যে অনেক কাজ আছে যা আপনি জানেন। চলুন তাহলে শুরু করা যাক। কিভাবে সোস্যাল মিডিয়া মাকের্টিং করে আয় করবেন।

ইন্টারনেট অনলাইন আয়

সোস্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট জব

বর্তমান সময়ে অনেক ব্যবসায়ি, মিডিয়া রিলেটেড ব্যাক্তি, রাজনৈতিক ব্যক্তি নিজের সোস্যাল মিডিয়া একাউন্ট নিজে পরিচালনা করেন না। সোস্যাল মিডিয়া একাউন্ট গুলো তৃতীয় কোন মাধ্যম দিয়ে পরিচালনা করে থাকেন।

এর অবশ্য কারন আছে, ধরুন আমি একজন মিডিয়া ব্যাক্তি তার মানে আমি প্রচুর ব্যস্ত থাকি। সুতরাং আমার প্রফাইলে কোন কিছু পোষ্ট করার আগে তা ১০০ বার ভাবতে হয়। এর জন্য তৃতীয় কোন ব্যক্তি ভালো ভাবে লক্ষ রাখে আমি কি পোষ্ট করব অথবা করব না।

কারন আমরা একটি ছোট ভুল পোষ্টের কারনে অনেক কিছু ঘটতে পারে। এখন আপনি যদি আমার একাউন্টা ম্যানেজমেন্ট করে তাহলে সেই ভুল গুলো হবার সম্ভবনা কম হয়ে যাবে।

সোস্যাল মিডিয়া প্রফাইল সেটাপ

আপনি হয়তো ভাবেছেন সোস্যাল মিডিয়া প্রফাইল সেটাপ করার জন্য কেন অন্য কাউকে হায়ার করতে হবে। কিন্তু এই বিষয়টা খুবেই গুরত্বপূর্ণ, কারন সোস্যাল মিডিয়া একাউন্টের অনেক সেটাপ থাকে যা হয়তো বা আপনি জানেন না। সুতরাং এই ক্ষেত্রে অন্য কাউকে আপনার হায়ার করতে হবে।

সোস্যাল মিডিয়া প্রফাইলের জন্য যে বিষয় গুলো সবাই হয়তো জানেন না। যেমন, প্রফাইল সিটিং, সিকিউরিটি, ব্যানার, লোগো ইত্যাদি। একটি প্রফেশনাল সোস্যাল মিডিয়া একাউন্ট সেটাপ করাটা খুবেই গুরুত্বপূর্ণ।

সোস্যাল কন্টেন্ট রাইটার

আপনি খুব ভালো ফেসবুক পোষ্ট করতে পারেন। একটা ছবি আপলোড করার পর তার ক্যাপশন খুব সুন্দর করে লিখতে পারেন। কিন্তু আপনি যদি মনে করেন প্রতিটি ব্যক্তি আপনার মত করে খুব সুন্দর ভাবে ক্যাপশন লিখতে পারে। তাহলে এটা আপনার ভুল ধারনা।

অনেক Social influencer নিজের ছবি বা ভিডিও আপলোড করার পর তার বর্ননা লেখার জন্য সোস্যাল কন্টেন্ট রাইটার হায়ার করে থাকে।

Social influencer চেষ্টা করে তাদের পোষ্টের শেয়ার, কমেন্ট যেন বেশি হয়। এই জন্য influencer সোস্যাল কন্টেন্ট রাইটার হায়ার করে থাকে। এবং অনলাইনে, এদের চাহিদা এবং জনপ্রিয়তা অনেক বেশি ।

অনলাইন থেকে ইনকাম করার জন্য আপনি একজন সোস্যাল কন্টেন্ট রাইটার হিসাবে ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন।

সোস্যাল মিডিয়া ফলোয়ার বৃদ্ধি

আপনি একজন সোস্যাল মিডিয়া ইনফ্লয়েজার হতে চাইলে অবশ্যই আপনার প্রফাইলে পর্যত সংখ্যাক ফলোয়ার থাকতে হবে।

আপনি সোস্যাল মিডিয়া প্রফাইল মাকের্টিং কিভাবে করতে হয় জান থাকলে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং অনেক মাকের্ট প্লেস আছে যেখানে এই সকল কাজ পাওয়া যায়। এবং ফলোয়ার বৃদ্ধি করার কাজের চাহিদা মাকের্টি প্লেসে প্রচুর।

অব্যশই আপনাকে অনেক বেশি সততার সাথে কাজ করতে হবে। কারন আপনি তৃতীয় কোন মাধ্যম দ্বারা এই কাজ করে নিতে পারবেন। অনেক ওয়েবসাইট আছে যারা এই সকল সাভির্স দিয়ে থাকে। কিন্তু তার পরেও আপনাকে হায়ার করে কাজ করে নিবে এর কারন একটাই রিয়েল লাইক বা ফলোয়ার।

সোস্যাল মিডিয়া এড ম্যানেজমেন্ট

আমরা প্রায় সোস্যাল মিডিয়া বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন দেখি। এই বিজ্ঞাপন গুলো পরিচালনা করার জন্য অবশ্যই সোস্যাল মিডিয়া মাকের্টিং বিষয় বিস্তারিত ধারনা থাকাটা জরুরি।

কারন, সঠিক ভাবে সোস্যাল মিডিয়া মাকের্টিং করতে না পারলে। আপনার পণ্য বা সাভির্স সঠিক ব্যক্তি কাছে পৌঁচ্ছাতে পারবে না।

আপনি সোস্যাল মিডিয়া এড ম্যানেজমেন্টের উপর একটি কোর্স করতে পারেন। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং মাকের্টি প্লেসে প্রচুর এড ম্যানেজারের চাহিদা আছে।

Udemy থেকে সোস্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট কোর্স করতে পারে

ডোমেই রিসার্স অনলাইন কাজ

আমি ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করতে চাচ্ছি কিন্তু ভালো একটি নাম খুজে পাচ্ছি না। এখন আপনি আমাকে কিছু নাম সাজেস্ট করলেন এবং তার বিনিময়ে আমি আপনাকে কিছু পেমেন্ট করলাম।

ডোমেইন নাম সাজেস্ট করে অনলাইন থেকে আয় করুন

শুধু যে, ই-কমার্স ওয়েবসাইটের নাম আপনি সাজেস্ট করে আয় করতে পারবেন তা কিন্তু নয়। আপনি চাইলে যে কোন ধরনের ব্যবসার নাম সাজেস্ট করে আয় করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে কাজ করতে চাইলে আপনাকে অনেক বেশি ক্রিয়েটিভ হতে হবে।

হয়তো বা মনে করতে পারেন আপনি তো ক্রিয়েটিভ নয়। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, পৃথিবীতে কোউ ক্রিয়েটিভ হয়ে জন্মগ্রহণ করে না। সুতরাং আপনি চাইলে একজন ক্রিয়েটিভ ব্যক্তি হতে পারবেন। শুধু আপনাকে জানতে হবে আপনি কিভাবে নিজেকে ক্রিয়েটিভ ব্যক্তি হিসাবে তৈরি করবেন।

সাধারনত ডোমেই রিসার্স করে নাম বাছাই করে দেওয়ার জন্য ১০ থেকে ২০ ডলার পর্যন্ত পাবেন। অবশ্য মাঝে মাঝে এর থেকে বেশি ডলার পাওয়া যায়। এটা নির্ভর করবে যে আপনাকে হায়ার করবে তার উপর।

আউটসোসিং শুরুর পদক্ষেপ

ই-কমার্স ওয়েবসাইটের পণ্যের বর্ননা

প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে। একই সাথে প্রচুর কাজের চাহিদা বাড়ছে। আপনি চাইলে ই-কমার্স ওয়েবসাইটে পণ্য আপলোড এবং বর্ননা লিখে অনলাইন আয় করার ক্যারিয়ার শুরু করতে পারবেন।

ই-কমার্স পণ্যের বর্ননা লিখে অনলাইন থেকে আয় করুন

কিন্তু আপনি যদি মনে করেন পণ্যের বর্ননা লেখাটা খুবেই সহজ নয়। কারন পণ্যের বর্ননা লেখার জন্য প্রচুর জানতে হবে, যে পণ্য বিষয় লিখবেন।

একটি পণ্যের বর্ননা লেখার জন্য ২০ থেকে ৩০ ডলার পেমেন্ট পাবেন। তবে আপনাকে অবশ্যই ভালো ইংরেজি লিখতে জানতে হবে।

অনলাইন মাকের্ট প্লেসে কাজ শুরু করার আগে আপনাকে অবশ্যই পণ্যের বর্ননা লেখার জন্য প্রাকটিস করতে হবে। কারন ভালো ভাবে কাজ শিখতে না পারলে কাজ পাবেন না। কাজ পাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই অভিজ্ঞ হওয়া প্রয়োজন।

ফেসবুক বিজ্ঞাপন মনিটাইজেশন কাজ

Article To Video Convert

আপনি আমার যে লেখাটি পড়ছে তা কনভার্ট করে ভিডিও তৈরি করা যাবে। এখানে যে সকল বিষয় আলোচনা করা হয়েছে সেই ভিডিও তে একই বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাবে। এর জন্য আপনাকে জানতে হবে কিভাবে কন্টেন্ট কে ভিডিওতে রূপান্তরিত করতে হয়।

আর্টিকেল কে ভিডিও কনভার্ট করে আয় করুন

অবশ্যই আপনাকে ভিডিও এডিটিং জানতে হবে। হ্যা, খুব ভালো ভিডিও এডিটিং জানতে তা কিন্তু নয়। স্কুল পর্যায়ের ভিডিও এডিটিং জানা থাকলে এই সেক্টরে কাজ করতে পারবেন।

আপনি অনেক ওয়েবসাইটে ভিজিট করলে দেখবেন প্রতিটি লেখার শেষে একটি ভিডিও আছে।

এই ভিডিও গুলো তৈরি করার অবশ্য অনেক কারন আছে। প্রথম কারন হচ্ছে রেভিনিউ জেনারেট করা। আপনার ওয়েবসাইট যখন Google Adsense জন্য অনুমোদন পাবে তখন এই ভিডিও গুলোতে গুগল এড প্রদর্শন করবে।

যত বেশি এড প্রদর্শন হবে তত বেশি আপনি আয় করতে পারা যায়। এই জন্য ব্লগ সাইট গুলো কন্টেন্ট কে ভিডিওতে রূপান্তিরিত করে।

কন্টেন্ট থেকে ভিডিও তৈরি করার অনলাইন কাজের বিস্তারিত

ব্লগিং করে অনলাইন থেকে ইনকাম

ব্লগিং করতে গিয়ে সব থেকে বড় সমস্যা হল টপিক নির্বাচন করা। আপনি যখন কোন ব্লগ তৈরি করার কথা ভাববেন তখন আপনাকে টপিক বাছাই করতে হবে। চলুন একটা উদাহরন দিয়ে বিষয়টা ক্লিয়ার করা যাক

ধরুন, আপনি সিনেমা দেখতে খুব ভালো বাসেন। আপনি খুব ভালো করে জানেন কোন সিনেমা কোন সময় হলে মুক্তি পায়। এবার আপনি এই সিনেমা দেখার উপর বেইস করে একটি ব্লগ তৈরি করতে পারেন।

ব্লগিং করে অনলাইন থেকে আয়

আপনি লিখুন সিনেমার কোন কোন বিষয় গুলো ভালো লেগেছে। কোন বিষয় গুলো আপনার ভালো লাগে নাই ইত্যাদি বিষয় গুলো গুছিয়ে লিখতে পারেন।

ব্লগের ভিজিটর নিয়ে ভাববেন না, ব্লগিং শুরু করুন ভিজিটরের অভাব হবে না।

কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন

কিভাবে অনলাইনে আয় শুরু করবেন?

অনলাইন থেকে আয় করার জন্য কাজ শেখার কোন বিকল্প নেই। আপনি যত বেশি কাজ শিখবেন তত বেশি আয় করতে পারবেন।

আপনি যে কাজেই শিখেন না কোন তার উপর আপনাকে পর্যত্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। সঠিক অভিজ্ঞতা অর্জন না করা পর্যন্ত ‍অনলাইন প্লাটফর্ম আপনার জন্য নয়। সুতরাং আপনাকে প্রথমে কাজ শিখতে হবে।

কিভাবে অনলাইন আয় শুরু করবেন

আপনার কাজ শেখা শেষ হয়ে গেলে আপনাকে মাকের্টি প্লেস নির্ধারন করতে হবে। মানে আমি বুঝাতে চাচ্ছি ফ্রিল্যান্সিং মাকের্ট বাছাই করতে হবে। তবে আমার মনে হয় প্রথম দিকে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ করতে চাইলে Fiverr সব থেকে উপযুক্ত মাধ্যম।

তবে আপনি যে মাকের্টি প্লেসেই কাজ শুরু করুন না কেন আপনাকে সেই ওয়েবসাইট বিষয় আপনাকে বিস্তারিত জানতে হবে।

আমরা প্রথমে যে ভুলটা করি তাহল যে কোন একটি ওয়েবসাইটে গেলাম এবং একাউন্টে খুলে ফেললাম। এর ফলে আপনি সেই ওয়েবসাইট বিষয় বিস্তারিত জানতে পারলেন না।

আপনি যে ওয়েবসাইটে কাজ করতে চান সেই ওয়েবসাইটে বিষয় রিসার্স করুন। ভাবুন কিভাবে একাউন্ট ওপেন করলে আপনার কাজ পাওয়াটা সুবিধা হবে। অবশ্যই আপনাকে প্রফেশনাল একাউন্ট ওপেন করতে হবে।

এর সাথে সাথে আপনাকে জানতে হবে কিভাবে বায়ারের সাথে কথা বলতে হয় এবং কাজ বুঝে নিতে হয়। আমি বলতে চাচ্ছি আপনাকে কাজ নেওয়া থেকে শুরু কাজ জমা দেওয়া পর্যন্ত প্রতিটি বিষয় এ টু জেড জানতে হবে।

বিস্তারিত আরও পড়ুর