১০টি সহজ উপায় ঘরে বসে আয় করার

Make money From home

টাইটেল দেখে ভাববেন না যে ১০টি খুবেই সহজ কাজ করে আপনি বাড়িতে বসে ইনকাম করতে পারবেন। আয় করার জন্য আপনাকে অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে। পরিশ্রম ব্যতিত ঘরে বসে আয় করা সম্ভব নয়। বরং আমি বলব বাড়িতে বসে থেকে আয় করতে চাইলে বেশি পরিশ্রম করতে হয়।

যা হোক প্রথমে আপনাদের কিছুটা নিরুসাহিত করলাম। কারন আমি জানি আপনি হয়তো অনেক আশা নিয়ে এই লেখাটি পড়তে শুরু করছেন বা পড়ছেন। এই লেখার মাধ্যমে আপনি সেই বিষয় গুলো আলোচনা করতে দেখতে পাবেন যা আপনি জানেন কিন্তু কখনো ট্রাই করেন নাই। অথবা আপনি জানেন না কিন্তু জানতে চান।

ঘরে বা বাড়িতে বসে আয় করার জন্য ইন্টারনেট তো লাগবেই। আপনি যা কিছু তৈরি করবেন বা ব্যবসা করবেন সেটা বিক্রয় করার জন্য ইন্টারনেট লাগবে। অথবা আপনার ব্যবসার প্রচারের জন্য ইন্টারনেট লাগবে।

যা হোক আপনি যেহেতু এই লেখাটি পড়ছেন তার মানে আপনার কাছে ইন্টারনেট আছে। সুতরাং আপনি মেয়ে, ছেলে, নারী যাই হোন না কোন বাড়িতে বসে আয় করার একধাপ এগিয়ে আছেন।

মেয়েরা বা নারীরা ঘরে বসে যে ব্যবসা গুলো শুরু করতে পারেন।

আর্ট বিক্রয় করে আয়:গ্রাম বাংলা বা শহরের প্রায় প্রতিটি মেয়ে কিছু বিশেষ প্রতিভা আছে যা কাজে লাগিয়ে আপনি অনলাইনে ব্যবসা করতে পারেন। আপনি খুব সুন্দর করে কথা বলতে পারেন। আপনি খুব সুন্দর কবিতা আবৃত্তি করতে পারেন। আপনি খুব সুন্দর গল্প বলতে পারেন। আপনি খুব সুন্দর গান করতে পারেন। আপনি খুব সুন্দর বাড়ি ঘর ডিজািইন করতে পারেন। আপনি যেটাই পাড়েন না কেন সেটাকে পুজি করে অনলাইনে থেকে আয় করতে পারবেন।

সামান্য কিছু অর্থ ব্যয় করে করে একজন মেয়ে বা নারী ঘরে বসে উর্পাজন করতে পারে। আপনার অতিরিক্ত ইনভেস্টমেন্ট ২০০০ থেকে ৩০০০ হাজার টাকার উপর হওয়ার কথা নয়।

আমার ভাবি খুব সুন্দর গমের ডাটা নিয়ে ছবি ডিজাইন করতে পারে। এবং ডিজাইন করা ছবি ভালো বাঁধতে পারে। এবং ডিজাইন করা ছবি গুলো যখন ঘরে ঝুলিয়ে রাখে তখন খুবেই সুন্দর লাগে। এবার আপনি ভাবুন আমার ভাবির ডিজাইন করা ছবি গুলো যদি আপনার ভালো লাগবে সেটাই স্বাভাবিক। এবং এই আর্ট গুলো একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করে বিক্রয় করা সম্ভব।

প্রতি মাসে ৩০০০ থেকে ৫০০০ হাজার টাকা আয় করুন এবং ঘরে বসে আয় করুন

আপনি ঘরে বসে প্রতি মাসে ৩০০০ থেকে ৫০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করতে চাইলে Picoworkers একটি উপযুক্ত ওয়েবসাইট। এই ওয়েবসাইটের কাজ গুলো আপনি মোবাইল ফোন দিয়ে করতে পারবেন। এই ওয়েবসাইটে কাজ করে আপনার অর্থ সরাসরি বিকাশে পেমেন্ট নিতে পারবেন। এই ওয়েবসাইটের কাজ গুলো সম্পর্কে ‍বিস্তারিত ভাবে জানার জন্য নিচের দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন।

পিকে ওয়ার্কারে কিভাবে একাউন্ট খুলবেন সেই বিষয়ে বিস্তারিত

ইউটিউব চ্যানেল থেকে ইনকাম:

ইন্টারনেট থেকে আয় করার জন্য এর থেকে ভালো মাধ্যম হতে পারে না। কিছু ক্ষন আগেই বলেছি খুব সুন্দর কথা বলা, কবিতা আবৃত্তি করা, রান্না করা, গল্প করা, ইত্যাদি বিষয় গুলো নিয়ে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারেন। আপনার সুন্দর প্রতিভা গুলো সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন এবং আয় করুন।

আপনি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে না পারলে আমার সাথে যোগাযোগ করুন আমি আপনাকে ইউটিউব চ্যানেল খুলে দিব কথা দিচ্ছি।

ফাস্টফুড বিক্রয় করে আয়:

আমি সময় টিভিতে একটি গল্প দেখলাম একটি মেয়ে অর্নাস শেষ করে মাস্টার্স পড়ছে। কিন্তু কোভিডের কারনে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার করনে বাসায় বসে আছে। এই অবস্থায় সে প্রথমে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের কাপড় বিক্রয় করতে শুরু করে। পরর্বতীতে তেমন একটা সারা না পেয়ে ফাস্টফুড বিক্রয় শুরু করে ফেসবুক পেজ খুলে। আবাক করার বিষয় হল সেই ফাস্টফুড বিক্রয় হচ্ছে গ্রাম এলাকায়।

ব্লগিং করে ইনকাম:

ব্লগিং করে বাড়িতে বসে আয় করা সম্ভব কিন্তু এটা সময় সাপেক্ষ একটি বিষয়। একটা ব্লগ সাইট থেকে আয় করার জন্য আপনাকে মিনিমাম ৪ থেকে ৫ মাস অপেক্ষা করতে হবে। তারপরেও কোন গ্রান্টি নাই যে আপনি আয় করবেন।

ব্লগিং করে আয় করার উপায়

দেশী পিঠার ব্যবসা:

হাজার ব্যাস্ততার মাঝে মায়ের হাতের তৈরি পিঠা কে না মিস করে বলেন। কিন্তু কিছু করার নেই। দেশী পিঠার একটি ব্যাপক চাহিদা আছে বাজারে। আপনি হাতে তৈরি দেশী পিঠা অনলাইনে বিক্রয় করে বাসায় বসে আয় করতে পারেন।

লাল চালের ব্যবসা:

বিজ্ঞানীদের গবেষনায় উঠে এসেছে বাজারের সাদা চাল মানুষের শরীরের বিস্তার ক্ষতি করে। কিন্তু আগে ঢেঁকি ছাটা ছাল খুঁজে পাওয়া যায় না। সুতরাং আপনি ট্রাই করতে পারেন টেঁকি কাটা চাল বিক্রয় করে ইনকাম করার।

গহনা ডিজাইন করে আয়:

খুবেই জনপ্রিয় একটি ঘরে বসে আয় করার মাধ্যম গহনা ডিজাইন করা। বাজার থেকে প্রয়োজনীয় উপকরন ক্রয় করে একটি সামান্য চুরি বা অন্য কোন কিছুকে বিশেষ ডিজাইন করে বিক্রয় করে ইন্টারনেটকে কাজে লাগিয়ে বাড়িতে বসে উপার্জন করা সম্ভব।

ঘরে বসে রোজগার করুন ফ্রিল্যান্সিং করে

How to make money from home
ঘরে বসে আয়

অনেক ধরনের ফ্রিল্যান্সিং কাজ আছে যা জানা থাকলে বাড়িতে বসে হাজার হাজার বা লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করা সম্ভব। কিন্তু এই আয় টি নির্ভর করবে আপনার দক্ষতার উপর। আপনার দক্ষতা যত বেশি হবে আপনি তত বেশি আয় করতে পারবেন। যে সকল ফ্রিল্যান্সিং করে করে ঘরে বসে উপার্জন করা সম্ভব।

ঘরে বসে হাতে লিখে আয়:

বর্তমানে অনেক বাংলা ওয়েবসাইট আছে যারা বাংলা কন্টেন্ট রাইটার হায়ার করে থাকে। আপনি বাংলা বা ইংরেজী লেখা লিখে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। আপনি Google গিয়ে সার্চ করুন ‘‘বাংলা কন্টেন্ট লিখে আয়“ দেখবেন অনেক গুলো ওয়েবসাইট পাবেন যারা কন্টেন্ট রাইটার হায়ার করে থকে।

তবে বাড়িতে বসে হাতে লিখে আয় করতে চাইলে আপনাকে ১ থেকে ২ মাস প্রাকটিস করতে হবে। প্রচুর ব্লগ কন্টেন্ট গুলো পড়তে হবে। আপনাকে বুঝতে হবে কিভাবে লেখাটি উপস্থাপনা করা হয়েছে? এবং শেষ করা হয়েছে। আপনার লেখার মান যত বেশি ভালো হবে হবে তত বেশি কাজ পাবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন: ফ্রিল্যান্সিং মাকের্টপ্লেস গুলোতে অনেক ধরনের কাজ পাওয়া যায়। কিন্তু গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ বেশি পাওয়া যায়। আপনি চাইলে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কোর্স করতে পারেন।

ভিডিও এডিটিং: আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটার। প্রায় ৬ বছর থেকে এই ফিল্ডে কাজ করছি। বিভিন্ন ধরনের এড তৈরি করার জন্য ভিডিও দরকার হয়। আমরা একজন ইন্ডিয়ার মেয়ে এই কাজের জন্য হায়ার করে থাকি। সে খুব ভালো ভিডিও এডিটিং করতে পারে। সুতরাং ভিডিও এডিটিং শিখতে পারেন এবং বাড়িতে বসে ইনকাম করতে পারেন।

সোস্যাল মিডিয়া ম্যানেজার: অনেক সেলিব্রাটি বা বড় কোম্পানি তাদের সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলো ম্যানেজমেন্ট করার জন্য ফ্রিল্যান্সার হায়ার করে থাকে। আপনি ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি বিষয় ভালো ধারনা থাকলে এই সেক্টরে কাজ করতে পারবেন।

ট্রান্সলেটর: আপনি খুব ভালো ইংরেজি বা অন্য ভাষা জানেন। ইন্টারনেটে ডকুমেন্ট ট্রান্সলেটরের কাজ পাওয়া যায়।

ডাটা এন্ট্রি কাজ: ইউটিউবে অনেক টিউটোরিয়াল পাবেন ডাটা এন্ট্রি কাজের উপর। বিভিন্ন ধরনের ডাটা এন্ট্রি কাজ আছে সকল বিষয় আপনাকে ধারনা রাখতে হবে।

আরর্টিকেল টু ভিডিও: বড় ধরনের ব্লগ সাইট ‍গুলো তাদের আরর্টিকেল গুলো ভিডিও কনভার্টা করে থাকে। আপনার ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যারে ধারনা থাকলে আরর্টিকেল টু ভিডিও তৈরি কাজ করতে পারবেন।

বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং কাজ

ঘরে বসে মোবাইলে আয়

আপনার কাছে একটি Android Mobile থাকলেই আপনি ঘরে বসে আয় করতে পারবেন। যদিও মোবাইল ফোনে কাজ করার ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। তবে এমন অনেক ধরনের কাজ আছে যা মোবাইল ফোন দিয়ে করা সম্ভব।

মোবাইল ফোন দিয়ে ঘরে বসে রোজগার করার জন্য ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম সব থেকে ভালো মাধ্যম হতে পারে। কিভাবে এই সকল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে ইনকাম করা যায় তা তুলে ধরলাম।

ফেসবুক: ফেসবুকে একটি বিজনেজ পেজ তৈরি করুন। অথবা ফেসবুক পেজ তৈরি করুন এই ফেসবুক পেজে আপনি যে কোন পণ্য বিক্রয় করতে পারেন। হতে পারেন আপনার হাতের তৈরি মোয়া, মিষ্টি, দই, পোষাক, অথবা অন্য যে কোন ধরনের পণ্য।

ফেসবুকে লেখালেখি করে বাড়িতে বসে আয় করা সম্ভব যা Facebook instant article নামে পরিচিত। অবশ্য এর জন্য আপনাকে খুব ভালো ভাবে বিষয়টি জানতে হবে।

ইউটিউব: বিশ্বে সব থেকে বড় ভিডিও প্লাটফর্ম। আপনার কাছে মোবাইল ফোন থাকলে আপনি শুরু করে দিতে পারেন একটি ইউটিউব চ্যানেল। আপনি ইউটিউব চ্যানেল কিভাবে খুলতে হয়, জানা না থাকলে ইউটিউবে গিয়ে সার্চ করলে হাজার হাজার ভিডিও পাবেন।

টুইটার: আপনার প্রতিদিনের জীবন বা অন্য যে কোন কিছু শেয়ার করতে পারেন টুইটারে। ছবি, ভিডিও, লেখা, ইত্যাদি বিষয় গুলো টুইটারে শেয়ার করা যায়। যত বেশি টুইটারে আপনি একটিভ থাকবেন তত বেশি আপনার ফলোয়ার বৃদ্ধি পাবে। আপনার ফলোয়ার সংখ্যার উপর বিভিন্ন কোম্পানি আপনাকে বিজ্ঞাপন অফার করবে। অথবা বিভিন্ন প্লাটফর্ম আছে যেখান থেকে বিজ্ঞাপন পাবেন।

আপনি আপনার টুইটার পেজে তাদের পোষ্ট, ভিডিও, ছবি শেয়ার করলে অর্থ পাবেন।

ইন্সটাগ্রাম: ইন্সটাগ্রাম এবং টুইটার একই বিষয়। ইন্সটাগ্রামে ফলোয়ার সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে বিজ্ঞাপন পাবেন। গুগলে গিয়ে Instagram or Twitter sponsorship লিখে সার্চ করে অনেক ওয়েবসাইট পাবেন যারা sponsorship প্রভাইড করে।

তবে আপনি যদি মনে করেন বিষয়টা খুবেই সহজ তা কিন্তু নয়। কারন টুইটার বা ইন্সটাগ্রামের স্পন্সার পাওয়ার জন্য আপনার প্রফাইলে কয়েক হাজার ফলোয়ার থাকতে হবে।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি ঘরে বা বাড়িতে বসে থেকে মোবাইল দিয়ে আয় করার জন্য এর জন্য ভালো কোন মাধ্যম হতে পারে না। অবশ্য একটি বিষয় আছে টুইটার, ফেসবুক, ইউটিউব যেটা থেকে আয় করতে চান, সময় লাগবে। কিন্তু ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করলে আয় করাটা সহজ হবে।

ফেসবুকে যে ব্যবসা করবেন সেটা যেন ইউনিক হয়। ইউনিক বলতে যেটা আগে কেউ করেনি অথবা করা হচ্ছে কিন্তু তত বেশি নয়।

বাড়িতে থেকে উপার্জন করার জন্য যে দিক গুলো লক্ষ রাখবেন

আপনি বাড়িতে বসে রোজগার করার জন্য অবশ্যই ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন। সুতরাং ইন্টারনেট ব্যবহার করে আয় করতে চাইলে আপনার প্রতি মানুষের বিশ্বাস থাকাটা জরুরি। আপনাকে মানুষ বিশ্বাস করতে না পারলে কেন আপনার কাছে পন্য নিবে। সুতরাং মানুষের বিশ্বাস অর্জন করাটা খুবেই জরুরি।

দেখুন আপনাকে কেউ জানে না, চেনে না কিন্তু আপনার কাজে পণ্যের অর্ডার করবে। সুতরাং আপনাকে আপানর সততার দিকটা খেয়াল রাখতে হবে।

আপনি যা কিছুই করবেন না কেন সততার সাথে করবেন। আপনি মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে পারলে ব্যবসা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করা সম্ভব ঘরে বসে।

আপনার পণ্য বা সেবা যেটাই বিক্রয় করেন না কেন মানের দিক থেকে কোন ধরনের ছার দেওয়া যাবে না। অনলাইনে রেপুটেশন তৈরি করাটা যেমন কঠিন ঠিক ধরে রাখাটা কঠিন।

আপনি যখন ভালো ব্যবসা করবেন তখন অনেক মানুষ আপনাকে কপি করে আপনার রেপুটেশন নষ্ট করার জন্য অনেক চেষ্টা করবে। সুতরাং আপনি সামনে যত এগিয়ে যাবেন তত বেশি সমস্যার মুখোমুখি হবেন। কিন্তু আপনার উদ্দশ্য যদি সত হয় তাহলে আপনাকে কেউ আটকাতে পারবে না।

২০টি অনলাইন থেকে আয় করার সহজ উপায়

কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখবো

আপনি চাইলে ফ্রি এসইও শিখে আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার দাঁড় করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং কাজ কি? বর্তমানে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং কাজ সমূহ

বিস্তারিত আরও পড়ুর